Tuesday, 23 Apr 2019 09:04 ঘণ্টা

কয়ছরের সেচ্ছাচারিতা ও অপরাজনীতির কারণে রাজনীতি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির বৃহত্তর অংশ

Share Button

কয়ছরের সেচ্ছাচারিতা ও অপরাজনীতির কারণে রাজনীতি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির বৃহত্তর অংশ

জগন্নাথ পুর প্রতিনিধিঃ যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ এমপি হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতেই হয়ে উঠেছেন সেচ্ছাচারি, বেচে নিয়েছেন গ্রুপিং মতো অপরাজনীতি, যাদেরকে পথের কাটা মনে করছেন তাদের দলীয় পরিচিতি (পদ পদবী) কেড়ে নিয়েছেন।

সংগঠনের দায়ীত্বে নিয়ে এসেছেন তার সহোদর ছোট ভাইকে যে কিনা অনেক জুনিয়র কর্মী ও অগ্রহনযোগ্য।

জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির তৃণমুলে একটি জরিপ চালিয়ে জানা যায়। যারা একটা সময় দলের কর্ণধার ছিলেন, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের বিনিময়ে দলকে করেছিলেন সু-সংগঠিত, তারাই আজ বঞ্চিত।

যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সমুহ।
১। সদ্য ঘোষিত জেলা বিএনপিতে তার নগ্ন হস্তক্ষেপ।
ক। দলে অনেক সিনিয়র সাবেক হুইপ, এমপিরা থাকা সত্ত্বের কয়ছর সাহেব প্রধান উপদেষ্টা
খ। তার অনুসারী ছাড়া যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও জগন্নাথপুরের কেউ স্হান পায় নি জেলা কমিটিতে।
২। তার আপন সহোদর ভাই কবির আহমদ আজ প্রায় বিশ বৎসর যাবৎ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা বিএনপির ও সাধারণ সম্পাদক যে কিনা বর্তমানে যুক্তরাজ্য অবস্হান করছে ।
৩। যে শহীদ হাফিজ হত্যা মামলা পুজি করে যুক্তরাজ্যে গিয়ে পলেটিক্যাল সেল্টারে আজ ইংল্যান্ড সেটেল বারবার দেশে আসা যাওয়া করলেও সেই হাফিজ হত্যা মামলায় স্বাক্ষী দেয় নি।
৪। তার হস্তক্ষেপে (ইচ্ছায়) গঠিত জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপি দলীয় কর্মসুচি পালন করে না।
৫। সে, তার ভাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীর সাথে আতাতে ব্যবসা করে।
৬। তার ইচ্ছায় গঠিত উপজেলা বিএনপি কমিটির সভাপতি আবু হুরায়রা সাদ মাষ্টার আওয়ামী লীগে সাথে আপোষ করে চলেন।
৭। উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়েছে পরিক্ষিতদের বাধ দিয়ে সমাজে অগ্রহনযোগ্য মানুষ দিয়ে যা দলের ভাবমুর্তি ক্ষুন করেছে।
৮। বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ব্যানিজ্যের মাধ্যমে যাদেরকে মনোনয়ন দিয়েছিল তারা অগ্রহনযোগ্য ছিল বিধায় সবাই ফেল করে এবং অধিকাংশ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
৯। উল্লেখযোগ্য যাদেরকে কমিটিতে রাখা হয় নি।
ক। আক্তারুজ্জামান সাবেক মেয়র সাবেক উপজেলার সভাপতি ও সাবেক জেলার সহ সভাপতি
খ। আলহাজ আতাউর রহমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাবেক জেলা বিএনপির সহ সভাপতি
গ। এম এ মালেক খান সাবেক জেলার সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ সভাপতি
ঘ। লেঃ কর্ণেল অব আলী আহমদ সাবেক আহবায়ক উপজেলা বিএনপি
ঙ। লুৎফুর রহমান চৌধুরী সাবেক উপজেলা সাধারন সম্পাদক
চ। এম এ কয়েস সাবেক উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক/ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যুবদলের আহবায়ক
ছ। মির্জা আবুল কাসেম স্বপন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক/যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি
জ। শাহ মাহফুজুল করিম উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক।

উল্লেখিত ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেন
যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হওয়ার সুবাদে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা জনাব তারেক সাহেবের নাম ভাংগিয়ে রাজনীতিক ব্যবসা করে নেতার দুর্নাম করছে কয়ছরের দলটাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। প্রয়োজনে রাজনীতি করব না, তবুও তার মতো নিচু শ্রেণীর মানুষকে মেনে রাজনীতি করব না বা করার প্রশ্নই আসে না।

এই সংবাদটি 1,013 বার পড়া হয়েছে